Rafsan the soto vai

ব্রিটিশরা এই দেশে আসার আগে, লেখাপড়া করার উদ্দেশ্য কিন্তু চাকরি করা ছিল না। 
লেখাপড়ার বিভিন্ন সেক্টর এর যারা জনক, এরিস্টটল,  ইবনেসিনা, 
প্লেটো এরা চাকরি করতেন না । 
ব্রিটিশ রা আসার আগে এই দেশে যে শিক্ষা ব্যবস্থা ছিল, সেটা ছিল জ্ঞান অর্জনের জন্য।
এরপর দেখা গেল, স্কুলে গিয়ে পঞ্চম শ্রেণি পাস করলে পুলিশে চাকরি পাওয়া যায়,  মাইনর (এইট) পাশ করলে হাই স্কুলে চাকরি পাওয়া যায়, 
আর বাপ জমিদার টাইপ হইলে কলেজে পড়তে বিলেত গেলে 
ফিরে এসে  প্রশাসনে চাকরি পাওয়া যায়, 

এরপর এই দেশেও কলেজ হলো বিশ্ববিদ্যালয় হলো, 
বাঙালি পড়াশুনা করা শুরু করলো চাকরি পাওয়ার লোভে। 
আমাদের সুর করে স্কুলে পড়ানো হলো, 
" লেখা পড়া করে যে, গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে " 

কেউ বল্লো না, "লেখাপড়া করে যে, জ্ঞান অর্জন করে সে ।"

এই যে পড়াশুনা করাকে চাকরি পাওয়া এবং টাকা ইনকামের মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা, এটাই এখনও মানুষ ভাবে । 
পড়াশুনা করে, কারণ চাকরি পেতে হবে । 

ভদ্রলোক যাকে নিয়ে লিখেছেন, তিনি তোহ ডাক্তার , ইনাকে ছোট বেলায় রচনা লিখতে  হয়েছে  ডাক্তারি পাস করে গ্রামে ফিরে যাব, এরপর গরিবদের ফ্রি চিকিৎসা দিব । 

বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন কেউ কি আছে? 
যে ডাক্তার হয়ে চাকরি না করে গ্রামে  ফিরে  গেছে গরীবের সেবা দেয়ার লক্ষ্যে? 
সেটা প্রাক্টিকাল ও  না অবশ্য । গ্রামে ফিরে গিয়ে সে নিজে খাবে কি?  

Rafsan the ChotoBhai,  সে তার নিজ যোগ্যতায় মা-বাবা কে Audi কিনে দিয়েছে, সেটা নিয়ে জেলাস হবার কিছু নেই । 

এমন ভাবার কারণ নেই, যে, আমি তো মেডিকেলে চান্স পাইসিলাম, আমি ওর চেয়ে ভালো স্টুডেন্ট আমি বেশি টাকা কামাবো। 

এই যে বাড়ি গাড়ি টাকা পয়সা ম্যাটিরিয়ালিস্টিক লোভ মানুষ এর মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছি আমরা, 

এরপরই শিক্ষিত সমাজ হয়ে গেছে চোর, 
এই দেশের সব চেয়ে বড় চোর কারা? 

সব চেয়ে শিক্ষিতরা। 

পড়ালেখা আপনার কাছে ওভাররেটেড লাগে কারণ পড়ালেখা আপনার কাছে টাকা বানানোর মেশিন, সেটা ভাবা বন্ধ করেন, তাহলে আর অভার রেটেড লাগবে না । 

রাফসান তার নিজের যোগ্যতায় বাবা-মাকে গাড়ি কিনে দিয়েছে, আপনিও পড়াশুনার পাশাপাশি বিজনেস করেন, দেশের সেরা ইউটিউবার হয়ে যান, ২২/২৩ বছর বয়সে নিজের কোম্পানির ইলেক্ট্রোলাইট ড্রিংক্স বের করার মত এবিলিটি অর্জন করেন, ৪ মিলিওন ফলোয়ার বানান, তখন আপনার আর পড়ালেখাকে অভার রেটেড লাগবে না। 
এগুলা মুলত অন্যের সাফল্য দেখে জেলাস হওয়া ছাড়া আর কিছু না । 

কেউ সফল হলে আমরা তাকে নিজের সাথে কল্পনা করি, 
ওর আছে আমার নাই কেন ? 
এই রিয়েলাইজেশানের কারণে সাকিব আল হাসান সবার চোখে খারাপ । 

সাকিবকে দিয়ে কেন লোকে কোটি টাকা খরচ করে শো রুম উধবোধন করাবে? আর আমি ২০ হাজার টাকার একটা  চাকরি পাই না!

তাই সাকিব খারাপ, তার নাম শো রুম আর হাসান  । 
তবে আমি আকাইম্মা, আমি অনেক ভালো

✍️ তারেক মাহমুদ 
(সংগৃহীত)

Post a Comment

0 Comments